
"ভায়া, কোনো রহস্যের সুরাহা আমি বড্ড ঝটপট করে ফেলি। এটাই আমার দোষ" - শার্লক হোমস
আপনি প্রবেশ করেন নি। দয়া করে নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করুন
রা.ওয়ান রিভিউ

কালকে রা.ওয়ান দেখে ফেল্লাম। ছবিটা মোটামুটি লেগেছে।
শেখর (শাহরুখ) এর ছেলে প্রতিক রা.ওয়ান গেমটি খেলে। প্রতিকের গেমিং নিকনেম লুসিফার (লুসিফার অর্থ শয়তান
)। কিন্তু লেভেল ২ তে গিয়ে সে খেলা পস করে চলে যায়। কিন্তু গেমের ভিলেন রা.ওয়ান (রাবন) তো ব্যাপারটিকে সিরিয়াসলি নিয়েছে। সে সেই সব ডিজিটাল রশ্নির মাধ্যমে গেম থেকে বের হয়ে একটা রা.ওয়ানের ডামির মধ্যে ঢুকে যায় এবং রা.ওয়ান রিয়াল দুনিয়ায় চলে আসে। সে প্রতিককে মারার জন্যে এত কষ্ট করে। প্রতিক ব্যাপারটি বুঝতে পেরে জি.ওয়ান (জীবন) কেও রিয়াল দুনিয়ায় আনতে চায়। কিন্তু টাইম লাগে। এদিকে সে তার মায়ের সংগে পালাতে থাকে এয়ারপোর্টের দিকে। রাওয়ান আবার টার্মিনেটর ২ এর ভিলেনের মতন রুপ বদলাতে পারে। সে আকাশিকে মেরে তার রুপ ধরে। কিন্তু রা.ওয়ান (যে এখন আকাশি এর রুপে আছে) তাকে ধরতে পিছে দৌড়াতে থাকে। একটি গাড়ির পার্কিং এ এসে ধরা পরে। জি.ওয়ান এমন সময় বাঁচাতে আসে। তারা তাদের শক্তি প্রদর্শন করতে থাকে। 
জিওয়ান জিতে যায় এবং রাওয়ানের হার্ট (HART) নিয়ে চলে আসে। তারপর তারা ইন্ডিয়ায় চলে আসে। জিয়ান শেখরের পাসপোর্ট ইউজ করে।
ইন্ডিয়ায় আসার পর সোনিয়া (কারিনা) এর উপর গুন্ডারা হামলা করে। তখন জীওয়ান মারামারি করে। কিন্তু প্রতিক বলে কিযে যেন গায়ে হাত না তুলে। গায়ে হাত না তুলে শাওলিন সকারেরর মতন ফুটবল দিয়ে মারামারি করে। কিছুক্ষন পর গুন্ডারা লোহার চাপাতি, রামদা নিয়ে আসে। তখন চিট্টি(রাজনিকান্ত) এর আগমন ঘটে। তাকে দেখে পালিয়ে যায় গুন্ডারা। সে তার ফেমাস চশমা চাল চালে। জীভান ও তার দেখাদেখি চশমা চাল চালে।
যাই হোক এর পর বোরিং ফ্যামিলি ড্রামা হয় অনেক্ষন। তারপর দিলদারা। এদিকে রাওয়ান অজুর্নের একটা ছবি বিলবোর্ডে দেখে তার রূপ ধরে। ইন্ডিয়ায় আসে। তখন ছিল দশরা চলছিল। যাই হোক এরপর প্রতিকের জন্মদিনে ছাম্মাক সাল্লু করে সবাই। দেখা যায় প্রতিক কিডন্যাপ্ড এবং কারিনা ট্রেন চালাচ্ছে (কারিনাকে মাইনড কন্ট্রোল করছে রাভান)। তারপর জীবান বান্দরের মতন উছাল কুদ লাফালাফি ফালাফালি করে ইন্জিনে পৌছে কারনিকে বাচায়। তার বো টাই এত লাফালাফিতেও খুলেনা।
তারপর সে প্রতিককে বাচাতে রাভানের গেম লঞ্চ যেখানে হবে সেখানে যায়। সেখানে সে রাভানের সাথে আবার লড়াই করে। তার হার্ট তাকে ফেরত দেয়। রাভানকে মারতে হলে লেভেল থ্রীতে যেতে হয়। সে যায় এবং তাকে মেরে ফেলে। কিন্তু এর প্রসেসে নিজেও মারা যায়। ৩ মাস পর প্রতিক জীবান কে জীন্দা করে। চলচ্চিত্র খতম
ভালোঃ
১) প্রথমেই রশ্নি এর কনসেপ্টটা চরম লেগেছে।
২) পিক্সেল কনসেপ্টাও ভালো।
৩) রাওয়ান ও জীওয়ানের সুটগুলা চরম। বিশেষ করে রাওয়ানের টা।
৪) গেমিং কনসেপ্ট।
৫) অবস্যই ভিজুয়াল ইফেক্টগুলো।
৬) ফাইটিং স্টাইল।
খারাপঃ
১) টার্মিনেটর থেকে বেশ কিছু আইডিয়া নকল।
২) ম্যাট্রিক্স থেকে বেশ কিছু আইডিয়া নকল।
৩) রজনিকান্তের কথা বলে আরেকজনকে রজনিকান্ত সাজিয়ে আনা।
৪) জীওয়ানের সুটটা বেশিরভাগ যায়গায় কম্পিউটার জেনারেটেড। তাহলে সর্বকালের সবচেয়ে ব্যায়বহুল সুট বানানোর কি দরকার ছিল?
৫) জিওয়ান রোবটের মতন আচরন করে। গেমের ক্যারেক্টাররা রোবোটের মতন আচরন করেনা
।
৬) হার্ট গায়ে লাগানো না থাকলে ওরা কেউই মরেনা। তাহলে হার্টের জন্যে ওরা পাগল কেন?
৭) লাস্ট লেভেলে নাকি ওদেরকে মারা যাবে হার্ট গান দিয়ে। তাহলে জিওয়ানের হার্ট খুলে আবার লাগানোতে সে বেঁচে উঠে কেন? 
যাই হোক সর্ব সাকুল্যে আমার কাছে ছবিটা ভালোই লেগেছে। যারা গেম টেম খেলেনা তাদের কাছে ভালো না লাগারই কথা। ছবিটা পুরাই শাহরুখের খাতিরে হিট হইসে। কারন শাহরুখ না থাকলে হয়তো আমার মতন গেমাররাই শুধু দেখতো। কারন অন্যরা কনসেপ্টটাও বুঝতে কষ্ট হবে।
রেটিং - ৭/১০ (বেশিরভাগ নাম্বারই ভিজুয়াল ইফেক্টের বদৌলতে)
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মেরাজ০৭ ( )
আমি আমার এক ফ্রেন্ডকে এক দুই মাস আগেই বলেছিলাম
শাহরুখ খান মারা যাবে এর পর গেম থেকে আরেক শাহরুখ খান বের হয়ে আসবে<<< সত্যি তাই হল
ছিঃনেমার কাহিনী জঘন্য>>> শাহরুখ এত বছর কি খালি গ্রাফিক্স এর দিকেই নজর দিয়ে গেল???? একটু কাহিনীর দিকে নজর দিতে পারল না... গ্রাফিক্সের দিক দিয়ে অতুলনীয় হতে পারে কিন্তু কাহিনীর দিক দিয়ে তো সালমান এর দাবাং, শাকিব এর শাকিব খান নাম্বার ওয়ান ও এর থেকে ভাল!!!
৩) রজনিকান্তের কথা বলে আরেকজনকে রজনিকান্ত সাজিয়ে আনা।
এ ব্যাপারটা আমার খুবই রাগ লাগছে। যত্তসব ধোকাবাজি 
মেরাজ০৭ লিখেছেন:এ ব্যাপারটা আমার খুবই রাগ লাগছে। যত্তসব ধোকাবাজি
ওটা কে ছিল?
ডাবল।
মুভিটা কিভাবে ব্যবসা সফল হল বুঝলাম না।তবুও দেখব আশা করি।আর মেরাজ ভাই শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
৬) হার্ট গায়ে লাগানো না থাকলে ওরা কেউই মরেনা। তাহলে হার্টের জন্যে ওরা পাগল কেন?
এটার কারনে পুরা ছবিটা ১০০% বোগাস লেগেছে..........। আর এ্যামেরিকার মতো রাস্তায় কারিনা গোটা বিশেক কার........আর একটা ডাবল ডেকার ধ্বংস করেছে.......রিয়েল হলেতো.......এ্যামেরিকা আলকায়েদা বলে স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপনাস্ত্র দিয়েই ওদের উড়িয়ে দিতো........অথচ ছবিতে কোন পুলিশেরই দেখা নাই..........।
আশাহত হইতে চাইলে ছবিটা দেখতে পারেন
৬) হার্ট গায়ে লাগানো না থাকলে ওরা কেউই মরেনা। তাহলে হার্টের জন্যে ওরা পাগল কেন?
পুরো পাওয়ারে আসার জন্য। ওটাই ওদের শক্তি এবং দুর্বলতা।
১) টার্মিনেটর থেকে বেশ কিছু আইডিয়া নকল।
২) ম্যাট্রিক্স থেকে বেশ কিছু আইডিয়া নকল।
সায়েন্স ফিকশন মূভি, অন্য কোন মুভির সাথে মিল থাকতেই পারে।
৩) রজনিকান্তের কথা বলে আরেকজনকে রজনিকান্ত সাজিয়ে আনা।
তাই নাকি??!
৪) জীওয়ানের সুটটা বেশিরভাগ যায়গায় কম্পিউটার জেনারেটেড। তাহলে সর্বকালের সবচেয়ে ব্যায়বহুল সুট বানানোর কি দরকার ছিল?
সহমত।
৫) জিওয়ান রোবটের মতন আচরন করে। গেমের ক্যারেক্টাররা রোবোটের মতন আচরন করেনা
সত্য কথা । ১০০%
৬) হার্ট গায়ে লাগানো না থাকলে ওরা কেউই মরেনা। তাহলে হার্টের জন্যে ওরা পাগল কেন?
উত্তর,
পুরো পাওয়ারে আসার জন্য। ওটাই ওদের শক্তি এবং দুর্বলতা।
৭) লাস্ট লেভেলে নাকি ওদেরকে মারা যাবে হার্ট গান দিয়ে। তাহলে জিওয়ানের হার্ট খুলে আবার লাগানোতে সে বেঁচে উঠে কেন?
লাস্ট লেভেলে ওদের মারা সম্ভব যদি ওদের শরীরে হার্ট থাকে। নাহলে মরবে না। সিনেমার শুরুতেই তো এ কথা বলা আছে।
যারা ইতোমধ্যেই ট্রন,স্পাই কিডস,ক্র্যান্ক,আইরণ ম্যান দেখেছেন তারা এই মুভি না দেখলেও চলবে।ভারত সিজিআই দিয়ে উল্টে ফেলছে এই জন্য এটা দেখতে হবে ব্যাপারটা
অন্ধ শাহরুখ ভক্ত ছাড়া এই ছবিতে ভালো কিছু খুজে পাওয়া মুশকিল।অনেকেই বলছেন এটার কাহীনি কিডসদের জন্য তা ক্রিমিনাল গান যে কিডসরা দেখতে পারে তাদের জন্য আরেকটু পরিপক্ক কাহীনি হওয়ার দরকার ছিল

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাউস পটেটো ( )
লাস্ট লেভেলে ওদের মারা সম্ভব যদি ওদের শরীরে হার্ট থাকে। নাহলে মরবে না। সিনেমার শুরুতেই তো এ কথা বলা আছে।
তাইলে হার্ট লাগানোর কি দরকার। হার্ট লাগিয়ে ফুল শক্তিরই বা কি দরকার। রুপ কথার গল্পে দৈত্যরা তাদের প্রান পাখি কে অনেক গার্ড দিয়ে পাহারা দিয়ে রাখে যাতে রাজকুমার তার নাগাল না পায়।
তাইলে হার্ট লাগানোর কি দরকার। হার্ট লাগিয়ে ফুল শক্তিরই বা কি দরকার।
হার্ট না লাগালে ওরা নিজেরা বেঁচে থাকবে। কিন্তু রা.ওয়ান বা জি.ওয়ান কেউ শান্তিপ্রিয় মানুষ না। নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে বানানো দুটো প্রোগ্রাম। যারা কিনা নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ভার্চুয়াল জগত থেকে বাস্তব জগতে চলে আসতে পারছে। রা.ওয়ানের টার্গেট কিন্তু নিজে বেঁচে থাকা না, ওর টার্গেট হল লুসিফারকে খতম করা (একই সাথে জি.ওয়ান কেও), আবার জি.ওয়ানের টার্গেট রা.ওয়ান কে খতম করা। যে কারণে দেখা গেল, রা.ওয়ানের পার্ট বাই পার্ট টুকরো নিয়ে জি.ওয়ান নিজেও গেমের দুনিয়ায় ফিরে গেলো, এতে তার বাস্তব সত্ত্বাটার মৃত্যু ঘটল, কিন্তু সেটার চেয়েও রা.ওয়ানকে আটকানো তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতএব প্রতিপক্ষকে দুরমুশ করতে "হার্ট" লাগবে।
হার্টের মামলাটা বেশ জটিল।
শাহরুখের বাজে ছবিগুলোর একটি এই রা.ওয়ান। আর মেরাজ০৭ গেমারদের এটা ভাল লাগবে আসলে ততটা ভাল লাগবে না। কারণ, গেমের জি.ওয়ানকে প্রতিক খেলানোর সময় যদি বাস্তবের জি.ওয়ান নড়ে তাহলে কত-শত মানুষ গেমসটা (ছবিতে অই গেমসটাকে সেরা বিক্রিত গেমস হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে) খেলছে তখন কেন ঠিক থাকে?
আর রা.ওয়ান পুনরায় তৈরি হওয়াটা টার্মিনেটর ২ তে ছিল। এ সম্পর্কে আরো জানতে (লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই প্রবেশ অথবা নিবন্ধন করতে হবে) যান।
শাহরুখের বাজে ছবিগুলোর একটি এই রা.ওয়ান। আর মেরাজ০৭ গেমারদের এটা ভাল লাগবে আসলে ততটা ভাল লাগবে না। কারণ, গেমের জি.ওয়ানকে প্রতিক খেলানোর সময় যদি বাস্তবের জি.ওয়ান নড়ে তাহলে কত-শত মানুষ গেমসটা (ছবিতে অই গেমসটাকে সেরা বিক্রিত গেমস হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে) খেলছে তখন কেন ঠিক থাকে?
আর রা.ওয়ান পুনরায় তৈরি হওয়াটা টার্মিনেটর ২ তে ছিল। এ সম্পর্কে আরো জানতে (লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই প্রবেশ অথবা নিবন্ধন করতে হবে) যান।
গেমস্টি আমার মর্টাল কমব্যাট এর নকল লেগেছে
আর পুনরায় জ্যান্ত হওয়ার দৃশ্য গুলি টার্মিনেটর থেকে হুবহু মেরে দিয়েছে...

রা.ওয়ান(২০১১)
অনেক দিন অপেক্ষার পরে এই মুভি দেখলাম গতকাল গভীর রাতে। প্রথম কথা, আমি DVDscr রীপে এই মুভি দেখে রেটিং দেওয়া অন্যায় হবে। কারন বলতে গেলে কোন ইফেক্ট ই দেখতে পারি নাই।
আমার কাছে মনে হয়েছে ছবিটি প্রতিক[শাখরুখ খানের ছেলে] কে ঘিরেই গড়ে উঠেছে। তাই ১০ হতে ১৫ বছরের পোলাপানদের কাছে চরম একটা ছবি। আর আমার কাছে অর্জুন রামপাল যতক্ষণ ছিল মুভি ততক্ষণ চরম লেগেছে।
আর সবচেয়ে বিরক্ত লেগেছে ছবির শেষে আবার রা.ওয়ানের থুক্কু জি.ওয়ান ব্যাক করা দেখে [অবশ্য বলিউডের ছবির শেষে হ্যাপি ইন্ডিং না করলে ফ্লপ করে ]
রেটিং ৬/১০
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দ্যা ডেডলক ( )
গেমের জি.ওয়ানকে প্রতিক খেলানোর সময় যদি বাস্তবের জি.ওয়ান নড়ে তাহলে কত-শত মানুষ গেমসটা (ছবিতে অই গেমসটাকে সেরা বিক্রিত গেমস হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে) খেলছে তখন কেন ঠিক থাকে?
কারণ রা.ওয়ান এবং জি.ওয়ান যে প্রোগ্রাম নিয়ে বাইরে এসেছে তখন লুসিফার=প্রতীক। তাই রা.ওয়ানের টার্গেট অন্যান্য গেমাররা নয়, সর্বশেষ গেমার প্রতীকই লুসিফার হিসাবে বিবেচিত হবে। তেমনি জি.ওয়ানের কন্ট্রোলার হিসাবেও প্রতীকই বিবেচিত হবে।
ছবির শেষে আবার রা.ওয়ানের ব্যাক করা
জি.ওয়ান ব্যাক করেছে
আমার ধারণা জি.ওয়ান কে ব্যাক করানো হয়েছে সিকুয়েল তৈরির পথ খোলা রাখার জন্য।
আমার কাছে অর্জুন রামপাল যতক্ষণ ছিল মুভি ততক্ষণ চরম লেগেছে।
++++++++++++++++++++++++++++++++++
আমার কাছে রা.ওয়ানের সবচেয়ে হাইলাইটেড এবং স্ট্রাকচারড ক্যারেক্টার অর্জুন। রা.ওয়ানের পার্সোনালিটির কাছে জি.ওয়ান অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে।
কারণ, গেমের জি.ওয়ানকে প্রতিক খেলানোর সময় যদি বাস্তবের জি.ওয়ান নড়ে তাহলে কত-শত মানুষ গেমসটা (ছবিতে অই গেমসটাকে সেরা বিক্রিত গেমস হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে) খেলছে তখন কেন ঠিক থাকে?
গেমটাতো তখনো রিলিজই হয়নাই।
প্রথম অংশটুকু মিস্টার বিনের থেকে হুবুহু মেরে দেয়াতে আর ভাল লাগেনি মুভি টা। কারণ পুরো মুভিটা নকলে ভরা। বিভিন্ন মুভির কাটপিস। এটা তো আমাদের সাকিব খানও বানাতে পারে। শুধু শাহরুখের নামে মুভিটা চলেছে। আগে শাহরুখের অন্ধ ভক্ত ছিলাম কিন্তু এখন এই সব পোলাপাইন্যা কাম দেইখা চরম বিরক্তি লাগে। ওর আগের মুভি গুলো আমার কালেকশনে আছে। এখনো মাঝে মাঝেই দেখি। কিন্তু বর্তমানের মুভিগুলো গাজাখুড়ি ছাড়া আর কিছুই না।
আমার রেটিং ৬/১০