
অতি সাধারণ মানুষ আমি, সাধারণ হয়ে থাকতে চাই সবার মাঝে।
আপনি প্রবেশ করেন নি। দয়া করে নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করুন
রংমহল » সংগীত » বাংলা লিরিক
এই পোস্টে আমি ধারাবাহিকভাবে কিছু বাংলা গানের লিরিক দেব। আশা করি এটা সংগীত অনুরাগীদের সাহায্য করবে। আর সম্ভব হলে ডাউনলোড লিংক ও দিয়ে দিব।
আপনারা ও চাইলে এখানে লিরিক পোস্ট করতে পারবেন। আর কেমন লাগছে জানাবেন...........
আগে যদি জানতাম
শিল্পী : লাকী আখন্দ
=================
আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না
ও মন রে…
কিসের তরে রয়ে গেলি তুই
বলেছিলি তুই যে আমায়
আমি নাকি ভুলে যাবো
ভুলে আমি ঠিকই তো যেতাম
পোড়া মনে তোরই কথা
বারে বারে বেজে ওঠে
তাই তোকে আর ভোলা হলো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না রে
জানিনা কেনো যে আমায়
একা ফেলে চলে গেলি
ভুলেও কি মনে পড়ে না
তোরই মতো কোনদিনও
আমিও যে ভুলে যাবো
তবু এই জ্বালা প্রাণে সইবো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না
—————–
(লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই প্রবেশ অথবা নিবন্ধন করতে হবে) বা (লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই প্রবেশ অথবা নিবন্ধন করতে হবে)
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
আজ আর নেই
কোথায় হারিয়ে গেল
সোনালী বিকেলগুলো সেই
আজ আর নেই ।
নিখিলেশ প্যারিসে, মঈদুল ঢাকাতে
নেই তারা আজ কোন খবরে
গ্র্যাণ্ডের গীটারিস্ট গোয়ানীস ডিসুজা
ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে
কাকে যেন ভালোবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে
পাগলা গারদে আছে রমা রায়
অমলটা ধুঁকছে দুরন্ত ক্যানসারে
জীবন করে নি তাকে ক্ষমা হায় ।
সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে
শুনেছি তো লাখ্ পতি স্বামী তার
হীরে আর জহরতে আগাগোড়া মোড়া সে
গাড়ীবাড়ী সবকিছু দামী তার
আর্ট কলেজের ছেলে নিখিলেশ সান্যাল
বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকতো
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে
নির্বাক শ্রোতা হয়ে
ডিসুজাটা বসে শুধু থাকতো ।
একটা টেবিলে সেই তিন চার ঘন্টা
চারমিনারটা ঠোঁটে জ্বলতো
কখনো বিষ্ণু দে কখনো যামিনী রায়
এই নিয়ে তর্কটা চলতো
রোদ ঝড় বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক
কাজ সেরে ঠিক এসে জুটতাম
চারটেতে শুরু হয়ে জমিয়ে আড্ডা মেরে
সাড়ে সাতটায় ঠিক উঠতাম ।
কবি কবি চেহারা কাঁধেতে ঝোলানো ব্যাগ
মুছে যাবে অমলের নামটা
একটা কবিতা তার হোল না কোথাও ছাপা
পেলনা সে প্রতিভার দামটা
অফিসের সোশালে ‘অ্যামেচার’ নাটকে
রমা রায় অভিনয় করতো
কাগজের রিপোর্টার মঈদুল এসে রোজ
কি লিখেছে তাই শুধু পড়তো ।
সেই সাত জন নেই আজ
টেবিলটা তবু আছে
সাতটা পেয়ালা অজোও খালি নেই
একই সে বাগানে আজ
এসেছে নতুন কুঁড়ি
শুধু সেই সেদিনের মালী নেই
কত স্বপনের রোদ ওঠে এই কফি হাউসে
কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়
কত জন এল গেলো
কতজনই আসবে
কফি হাউসটা শুধু থেকে যায় ।
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
আজ আর নেই
কোথায় হারিয়ে গেল
সোনালী বিকেলগুলো সেই
আজ আর নেই ।
(সুরঃ সুপর্ণ কান্তি ঘোষ, শিল্পীঃ মান্না দে)
আগে যদি জানতাম
শিল্পী : লাকী আখন্দ
=================
আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না
ও মন রে…
কিসের তরে রয়ে গেলি তুইবলেছিলি তুই যে আমায়
আমি নাকি ভুলে যাবো
ভুলে আমি ঠিকই তো যেতাম
পোড়া মনে তোরই কথা
বারে বারে বেজে ওঠে
তাই তোকে আর ভোলা হলো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না রেজানিনা কেনো যে আমায়
একা ফেলে চলে গেলি
ভুলেও কি মনে পড়ে না
তোরই মতো কোনদিনও
আমিও যে ভুলে যাবো
তবু এই জ্বালা প্রাণে সইবো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না
—————–
আমার খুব প্রিয় একটা গান__অনেক কথা মনে পড়ে যায় গানটা শুনলে,ধুলোপড়া স্মৃতিগুলো নতুনভাবে জেগে উঠে।মহসিন তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি চালিয়ে যাও।
একটা রেপু তোমার জন্য!
আজ এই দিনটাকে মনের খাতায় লিখে রাখো
শিল্পীঃ কিশোর কুমার
(আমার প্রিয় একটা গান)
----------------------
আজ এই দিনটাকে
মনের খাতায় লিখে রাখো
আমায় পড়বে মনে
কাছে দূরে যেখানেই থাকো
হাওয়ার গল্প আর
পাখীদের গান শুনে শুনে
আজ এই ফাল্গুনে
দুটি চোখে স্বপ্ন শুধু আঁকো
এসো আজ সারাদিন
বসে নয় থাকি পাশাপাশি
আজ শুধু ভালোবাসা বাসি
শুধু গান আর হাসাহাসি
রঙের বরষা ঐ
নেমেছে যে দেখো ফুলে ফুলে
দুটি হাত তুলে
আমাকে আরো কাছে ডাকো
—————–
(লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই প্রবেশ অথবা নিবন্ধন করতে হবে)
অ্যাম্বিশন
শিল্পী : নচিকেতা
==========
কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার,
কেউ হতে চায় ব্যবসায়ী কেউ বা ব্যারিস্টার,
কেউ চায় বেচতে রূপোয় রূপের বাহার চুলের ফ্যাশান।
আমি ভবঘুরেই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন।
ঠকানোই মূল মন্ত্র, আজকের সব পেশাতে,
পিছপা নয় বিধাতাও, তেলেতে জল মেশাতে।
ডাক্তার ভুলছে শপথ, ঘুশ খায় ইঞ্জিনিয়ার,
আইনের ব্যবচ্ছেদে, ডাক্তার সাজে মোক্তার।
যদি চাও সফলতা, মেনে নাও এই সিস্টেম,
ফেলে দাও শ্রোতের মুখে, আদর্শ বিবেক ও প্রেম।
এ সমাজ মানবে তোমায়, গাইবে তোমারই জয়গান।
আমি কোনে বাউল হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন।
বড় যদি চাইবে হতে, সেখানেও লোক ঠকানো।
সতভাবে বাঁচো বাঁচাও, একথা লোক ঠকানো।
সতভাবে যাবে বাঁচা, বড় হওয়া যাবে নাকো।
শুধু কথা না শুনে, বড়দের দেখেই শেখ।
এ সবই থাক তোমাদের, আমি বড় চাই না হতে,
ধুলো মাখা পথই আমার, তুমি চোড়ো জয়োরথে।
শত লাঞ্ছণা দিও, কোরো আমায় অসম্মান।
তবু আমি বোকাই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন।
কেউ হতে চায় ডাক্তার, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার,
কেউ হতে চায় ব্যবসায়ী, কেউ বা ব্যারিস্টার,
কেউ চায় বেচতে রূপোয়, রূপের বাহার চুলের ফ্যাশান।
আমি ভবঘুরেই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন।
আমি কোনে বাউল হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন।
তবু আমি বোকাই হব, এটাই আমার অ্যাম্বিশন।
রঞ্জনা
শিল্পী : অঞ্জন দত্ত
ধর্ম আমার, আমি নিজে বেছে নিই নি, পদবীতে ছিলনা যে হাত।
মসজীদে যেতে হয়, তাই যাই বছরে দু এক বার।
বাংলায় সত্তর পাই আমি একজ্যামে, ভালো লাগে খেতে মাছ ভাত।
গাঁজা সিগারেট আমি কোনটাই খাই না, চড়তে পারি না আমি গাছ।
চশমাটা পড়ে গেলে মশকিলে পড়ি, দাদা আমি এখনো যে ইস্কুলে পড়ি।
কবজির জোরে আমি পারবো না।
পারবো না হতে রোমিও, তাই দুপুর বেলাতে ঘুমিও।
আসতে হবে না আর বারান্দায়।
রঞ্জনা, আমি আর আসবো না।
বুঝবো কি করে আমি তোমার ঐ মেজ দাদা, সুধু যে তোমার দাদা নয়।
আরো কত দাদাগিরি, কবজির কারিগরি, করে তার দিন কেটে যায়।
তাও যদি বলতাম হিন্দুর ছেলে আমি নীলু বিলু কিম্বা নিতাই,
মিথ্যে কথা আমি বলতে যে পারি না, ভ্যাবাচ্যাকা খাই।
চশমাটা পড়ে গেলে মশকিলে পড়ি, দাদা আমি এখনো যে ইস্কুলে পড়ি।
কবজির জোরে আমি পারবো না।
পারবো না হতে রোমিও, তাই দুপুর বেলাতে ঘুমিও।
আসতে হবে না আর বারান্দায়।
রঞ্জনা, আমি আর আসবো না।
সত্যিকরের প্রেম জানিনা তো কি সে তা জাচ্ছে জমে হোম টাস্ক,
লাগছে না ভাল আর মেট্রো চ্যানেল টা, কান্না পাচ্ছে সারা রাত।
হিন্দু কি জাপানী, জানি না তো তুমি কি, জানে ঐ দাদাদের গ্যাং,
সাইকেলটা আমি ছেড়ে দিতে রাজি আছি, পারবো না ছাড়তে এ ঠ্যাং।
চশমাটা পড়ে গেলে মশকিলে পড়ি, দাদা আমি এখনো যে ইস্কুলে পড়ি।
কবজির জোরে আমি পারবো না।
পারবো না হতে রোমিও, তাই দুপুর বেলাতে ঘুমিও।
আসতে হবে না আর বারান্দায়।
রঞ্জনা, আমি আর আসবো না।
পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোঁড়া করে দেব
বলেছে পাড়ার দাদারা
অন্য পাড়া দিয়ে যাচ্ছি তাই ।
রঞ্জনা, আমি আর আসবো না।
ভাইরে কবিতা লিখতে পারিনা কিভাবে লিখবো যদি বলতেন ভালো হইতো.....................
আমাদের ফোরামে অনেক কবি আছেন।
ওদের সাথে যোগাযোগ করেন। বাকিটা ওদের উপর।
খুব জানতে ইচ্ছে করে
শিল্পীঃ মান্না দে
================
খুব জানতে ইচ্ছে করে
খুব জানতে ইচ্ছে করে
তুমি কি সেই আগের মতই আছো
নাকি অনেকখানি বদলে গেছ।।
এখনো কি প্রথম সকাল হলে
স্নানটি সেরে পূজার ফুল তুলে
পূজার ছলে আমারই কথা ভাবো
বসে ঠাকুর ঘরে।।
এখনো কি সন্ধ্যা বেলা
আমার বাড়ি ফেরার সময় পেরিয়ে গেলে
অনেক অভিমানে চোখ দুটো কি জলে ভরে।।
এখনো কি রাত নিঝুম হলে
শরৎ কাহিনী পাশে খোলা পরে থাকে
ব্যাকুল পিয়াসে আমারই পিয়াসে
অন্তর কেঁদে মরে।।
নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর বন্ধু আমার কেহ নাই
তোলো বন্ধু আমার কেহ নাই
চিকন ধুতিখানি পড়িতে না জানি
না জানি বান্ধিতে কেশ
অল্প বয়সে পিরিতি করিয়া
হয়ে গেলো জীবনের শেষ
প্রেমেরও মুরালি বাজাতে নাহি জানি
না পারি বান্ধিতে সুর
আচ্ছা কেন মানুষগুলো এমন হয়ে যায়
ব্যাণ্ড : রেঁনেসা
==========
আচ্ছা কেন মানুষগুলো এমন হয়ে যায়
চেনাজানা মুখগুলো সব কেমন হয়ে যায়
দিন বদলের খেলাতে
মন বদলের মেলাতে
মানুষগুলো দিনে দিনে
বদলে কেন যায়
সুখের দিনে ভালোবাসা দেয় যে কতজন
কাছে আসে ভালোবাসে দেয় যে ভরে মন
দিন বদলের খেলাতে
মন বদলের মেলাতে
মানুষগুলো দিনে দিনে
বদলে কেন যায়
দুঃখের দিনে কাছে এসে পথ ভুলে কি কেউ
একা ঘরে পড়েই রবে জানবে নাতো কেউ
দিন বদলের খেলাতে
মন বদলের মেলাতে
মানুষগুলো দিনে দিনে
বদলে কেন যায়
—————
গানটির ডাউনলোড লিংক কারো জানা থাকলে দিবেন, প্লিজ........
আচ্ছা কেন মানুষগুলো এমন হয়ে যায়
দিন বদলের খেলাতে
মন বদলের মেলাতে
গানটার এই দুইটা লাইন নিয়ে বড়ই বিপদে ছিলাম। আমি গাইতাম (দিন বদলের মেলাতে , মন বদলের খেলাতে)। lyric টা পেয়ে ভালো হল। ধন্যবাদ।
নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর বন্ধু আমার কেহ নাই
তোলো বন্ধু আমার কেহ নাইচিকন ধুতিখানি পড়িতে না জানি
না জানি বান্ধিতে কেশঅল্প বয়সে পিরিতি করিয়া
হয়ে গেলো জীবনের শেষপ্রেমেরও মুরালি বাজাতে নাহি জানি
না পারি বান্ধিতে সুর
গানটি ফজলুর রহমান বাবুর গলায় বেশ ভাল হয়েছে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
টাইটেল: বন্ধু তোমায়
ব্যান্ড: চন্দ্রবিন্দু
ছেড়া ঘুড়ি রঙিন বল
এইটুকুই সম্বল
আর ছিলো রোদ্দুরে পাওয়া বিকেলবেলা
বাজে বকা রাত্রি দিন
এসটিরিক্স টিনটিন
এলোমেলো কথা উড়ে যেতো হাসির ঠেলায়
সে হাসি ছুটে যেতো গোধুলী মিছিলে
সবার অলক্ষেতে তুমিও কি ছিলে
হাওয়ায় হাওয়ায়
হাওয়ায় হাওয়ায়
বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায়
আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।।
গল্পের মতো ইশকুল বাড়ী
জমে ওঠা ক্ষত খেলবো না আড়ি
সে খেলা কানা গলি রোদ চুপিসারে
এবং আগুন ছিলো লাস্ট কাউন্টারে
হাওয়ায় হাওয়ায়
হাওয়ায় হাওয়ায়
বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায়
আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।।
বইমেলা গুলো গার্গি শ্রেয়শী
চেনা মুখগুলো পরিচিত হাসি
সে হাসি রোদ ঝিকিমিকি কার্নিশে
সাহসী চুম্বন আজো পারেনি সে
হাওয়ায় হাওয়ায়
হাওয়ায় হাওয়ায়
বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায়
আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।।
ছেড়াছবি স্ফটিক জল
এইটুকুই সম্বল
বাদবাকী রোদ চলে যাওয়া বিকেল বেলায়
একঘেয়ে ক্লান্ত দিন
টানকুস এসপিরিন
যানজটে দেরী হয়ে গেল এ কালবেলা
মরা মাছের চোখ যায় যতদূরে
শুকানো জলছবি আজো রোদ্দুরে
হাওয়ায় হাওয়ায়
হাওয়ায় হাওয়ায়
বন্ধু তোমায় এ গান শোনাবো বিকেলবেলায়
আরেকবার যদি তোমাদের দলে নাও খেলায় ।।
(লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই প্রবেশ অথবা নিবন্ধন করতে হবে)
সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন nobel ( )

রংমহল » সংগীত » বাংলা লিরিক